এই চিড়িয়াখানা তৈরিতে মোট খরচ কত আসবে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি ধনকুবের মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani) । সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, আম্বানির এই বৃহত্তম চিড়িয়াখানার নাম হবে 'গ্রীনিশ জুলজিক্যাল রেস্কিউ এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন কিংডম।'যেখানে থাকবে ফ্রগ হাউস, ড্রাগন আইল্যান্ড, ল্যান্ড অফ রোডেন্ট, একুয়াটিক কিংডম একাধিক বিভাগ।সেই বিভাগ গুলিতে আনা হবে আফ্রিকান সিংহ, চিতা, জাগুয়ার, নেকড়ে, হিপ্পো, ওরাংওটাং, বেঙ্গল টাইগার সহ দেশ-বিদেশের একাধিক প্রানি। জানা যাচ্ছে ২৮০ একর এর ও বেশী অঞ্চল জুড়ে গড়ে উঠবে এই চিড়িয়াখানা। চিড়িয়াখানা টিপ যাবতীয় দায়িত্বে রয়েছে মুকেশ আম্বানির কনিষ্ঠপুত্র অনন্ত আম্বানি কাঁধে।
ইন্দোনেশিয়ার ভয়ঙ্কর দর্শন সরীসৃপ কি মরু ড্রাগন নিয়ে পশুপ্রেমীদের মধ্য কৌতূহলের শেষ নেই। এবার ভারতীয় চিড়িয়াখানায় তার দর্শন মিলবে জেনে ইতিমধ্যেই উৎসাহিত পর্যটকরা। অপরদিকে টেকনোলজি, ই-কমার্স ছাড়াও ফুটবল, ক্রিকেটে বিনিয়োগ করেছিলেন সংস্থার।এবার জনমুখী উদ্যোগে মনোযোগ দিয়েছে আম্বানি পরিবার। ইতিমধ্যেই ২০১৯ সাল থেকে নিউইয়র্ক এর মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম এর বোর্ড সদস্যের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন নিতা আম্বানি। ক্যাম্পডেন ওয়েলথের দিরেক্টর রেবেকা গুচ বলেন, কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ধনকুবেরদের। এই বিনিয়োগ একটি সংস্থার ইমেজ তৈরীর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।'
এর আগেও কোটিপতিদের পশু প্রেমের একাধিক দৃষ্টান্ত রয়েছে। যেখানে ইন্দোনেশিয়ার লো টাক কোং নামে এক উদ্যোগ প্রায় ৪০ খরচ করে একটি চিড়িয়াখানা নির্মাণ করেছিলেন। জর্জিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বিদজিনা ইভানিশভিলি, যিনি একজন ধনী উদ্যোগপতি ও বটে, ডেনড্রোলজিকাল পার্কের জন্য প্রায় ৩০ লক্ষ ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন